কুকুরিকতা (ছোট গল্প) হিরন এক্কেবারে সাধারন একটি ছেলে, দেখতে শুনতে।যদিও আদতে সে সাধারণের চেয়ে একটু আলাদা। কারন সে ভাবে এবং অভাবে- দু’অবস্থাতেই ভাবতে পারে।পাঠক আপনারা কি ভাবছেন এ আর আলদা করার মত কি? তাই-তো? মানুষ চিন্তাশীল প্রাণি, সর্বদাই সে ভাবার ওপরে থাকে, তাই- তো? আচ্ছা ঠিক আছে, আমার কথা তাহলে একটু পাল্টাচ্ছি। হিরন অনেকের চেয়ে... Continue Reading →
একটি প্রেমের গল্প
একটি প্রেমের গল্প ছেলেটি আর মেয়েটি হাত ধরে উড়ছে, শূন্যেতে ঘুরছে। এটা ওদের বিয়ের সময়। তাই এত বাঁধ-ভাঙ্গা আনন্দ-উদ্দিপনা। ওরা এমন একটা সমাজে বাস করে যেখানে কোনো চোখ-রাঙানো নিয়ম-কানুন নেই। তাই বিয়ের আগেই বের হয়েছে। বিশেষ ডেটিং। একটু আগে একটা উদ্যান ঘুরে এলো। সারা শরীরে বর্ণ-গন্ধ মাখা ওদের এখন। ছেলেটির নাম ইমু, আর মেয়েটির নাম... Continue Reading →
মাতৃকল্প
মাতৃকল্প মামাবাড়ি থেকে মাসীবাড়ির দিকে যাচ্ছি। গ্রীষ্মের দহন চারিদিকে, মাথার ওপরে। চুলের গোছের মাঝের পথ দিয়ে বিন্দু-বিন্ধু ঘাম এক হয়ে বেরিয়ে চুয়ে চুয়ে পড়ছে। কিছুক্ষন বাদে বাদে আমি আমার কপাল মুছে নিচ্ছি, হাটছি। মোট আড়াই কিলোমিটার পথ যেতে হবে, যার অর্ধেকটাই শুকনো বিলের জমির ভেতর দিয়ে চলে গেছে। পথটি আমার মামাবাড়ির। মামাবাড়ি নিচু এলাকা, পানির... Continue Reading →
একজন লাইব্রেরিয়ান ও আলু-পটল এর গল্প
আমি বিবাহিত। টুকিটাকি লেখালেখি করি। গল্প কবিতা। কয়েকজন ভক্ত বা ভড়ং-ভক্তও আছে। আমাকে তারা কবিও বলে। এক সম-বয়সী বড়-ভাই তো প্রায়ই বলেন- কবি মানেই ভন্ড। আমি বার বার প্রতিবাদ করি। কিন্তু এই মেয়েটির ক্ষেত্রে কি আমি তাঁর বানীটাকে শক্তি হিসেবে নেই। মানে হলো, কবি মানেই ভন্ড, তাই আমি বিবাহিত হয়েও বিশেষ এই মেয়েটির দিকে তাকানোটা সেদিক থেকে সমর্থনযোগ্য। ভাবনাটা মাথায় আসে। কিন্তু মেয়েটির দিকে তাকালে উবে যায়।